শনিবার, ২৪শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
৮ই আগস্ট, ২০২০ ইং
১৭ই জিলহজ্জ, ১৪৪১ হিজরী
ads

নাছরিন ট্র্যাজেডি’র ১৭ বছর: হিমাগারে ক্ষতিপূরণ রিটের তদন্ত

 মুন্সীগন্জ প্র‌তি‌নি‌ধিঃ আজ ৮ জুলাই। ভোলার লালমোহন উপজেলার মানুষের কাছে এক বেদনাবিধূর ও শোকাবহের দিন। ২০০৩ সালের এই দিনে চাঁদপুরের পদ্মা মেঘনা ও ডাকাতিয়া নদীর ত্রি-মোহনায় এক মর্মান্তিক লঞ্চ ডুবির ঘটনা ঘটে। এম,ভি নাছরিন-১ নামের ওই লঞ্চ ডুবিতে সেদিন প্রাণ হারায় লালমোহন উপজেলার পাঁচ শতাধিক মানুষ।
বছর ঘুরে এই দিনটি এলেই ডুকরে কাঁদে স্বজনহারা পরিবারগুলো। দিনটি স্মরণে লালমোহন উপজেলার বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় আয়োজন করা হয় মিলাদ, দোয়া ও বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানের। আবার অনেকে দিনটিকে ‘নাছরিন ট্র্যাজেডি’ দিবস হিসেবেও পালন করে থাকেন।
এদিকে নাছরিন লঞ্চ ডুবির ১৭ বছর পেরিয়ে গেলেও মৃত ব্যক্তিদের স্বজনরা এখনও কোনো ক্ষতিপূরণ বা সরকারী সাহায্য পাননি। ২০০৩ সালের ওই লঞ্চ ডুবির পর পরই ক্ষতিপূরণ চেয়ে উচ্চ আদালতে রিট করেন ‘নিরাপদ নৌ-পথ বাস্তবায়ন জোট’ নামের তৎকালীন একটি সংগঠন। কিন্তু আজও সেই রিট কোনো আলোর মুখ দেখেনি।
এ ব্যাপারে বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষের বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি, তবে ‘নিরাপদ নৌ-পথ বাস্তবায়ন জোট’ নেতা লালমোহনের বাসিন্দা আ,ন,ম শাহাজামাল দুলাল বলেন, সে সময় আমাদের আন্দোলনের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ স্বজনহারা পরিবারগুলোকে ক্ষতিপূরণ দেয়ার আশ্বাস দিয়েছিল।
ক্ষতিপূরণ না পেয়ে সে সময় আমরা উচ্চ আদালতে রিট করেছি। কয়েকবার তদন্তও হয়েছে। কিন্তু গত ১৭ বছর ধরে সেই রিট হিমাগারেই পড়ে আছে। ওই লঞ্চে আমার আপন বড় ভাই শাজাহান কুদ্দুস ও ভাতিজিসহ বহু আত্মীয়-স্বজনের সলিল সমাধি ঘটেছে।
উল্লেখ্য, ২০০৩ সালের ৮ জুলাই সন্ধ্যায় প্রায় ৮ শতাধিক যাত্রী নিয়ে ঢাকার সদরঘাট হতে লালমোহনের উদ্দেশে ছেড়ে যায় এম,ভি নাছরিন-১ লঞ্চ। পরে রাত সাড়ে দশটার দিকে চাঁদপুরের পদ্মা মেঘনা ও ডাকাতিয়া নদীর ত্রি- মোহনায় পৌঁছলে অথৈ জলরাশির ঘূণিপাকে লঞ্চটি ডুবে যায়।
সে সময় কিছু যাত্রী তীরে সাঁতরিয়ে উঠে নতুন জীবন ফিরে পেলেও মারা যায় পাঁচ শতাধিক যাত্রী। ঘটনার পরদিন থেকে বিআইডব্লিউটিএ’র উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা-রুস্তুম সপ্তাহব্যাপী চেষ্টা করেও লঞ্চটির হদিস না পেয়ে উদ্ধার কাজ সমাপ্ত ঘোষণা করে।
অপরদিকে জলে ভাসা শ’খানেক ব্যক্তির অর্ধ গলিত লাশ উদ্ধার হলেও পাঁচ শতাধিক ব্যক্তির সন্ধান পাননি স্বজনরা। এই অবস্থায় মৃত ব্যক্তিদের পরিবারগুলোকে ক্ষতিপূরণ ও সরকারী সাহায্য দেয়ার দাবী ওঠে।

শেয়ার করুন:

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on pinterest
Share on whatsapp
Share on email
Share on print

আরও পড়ুন:

বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
১৭৮,৪৪৩
সুস্থ
৮৬,৪০৬
মৃত্যু
২,২৭৫

বিশ্বে

আক্রান্ত
১৯,৫৪৩,৫৬২
সুস্থ
১২,৫৪৫,৫৬৭
মৃত্যু
৭২৪,০৭৫

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১