শুক্রবার, ১০ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ ইং
৭ই সফর, ১৪৪২ হিজরী
ads

শিল্পী সমিতিকে আর্থিক সহায়তা দিলেন কন্ঠশিল্পী কনক চাঁপা

দেশটুডে২৪ ডেস্ক: করোনার প্রকোপে স্তব্ধ জনজীবন। বাংলাদেশেও দিন দিন আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যাও। এমনিতেই দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে মন্দা ভাব। তার ওপর মহামারি করোনাভাইরাসের প্রকোপে দিশেহারা চলচ্চিত্র অঙ্গন। শুটিং বন্ধ থাকায় বিপাকে পড়েছেন শিল্পীরা। চলচ্চিত্র-সংশ্লিষ্ট অন্যান্য পেশার মানুষেরও একই অবস্থা। এরইমধ্যে শিল্পী সমিতি অসচ্ছল শিল্পী ও অন্যান্য সংগঠনের সদস্যদের পাঁচদফায় আর্থিক ও নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্য দিয়ে সহযোগিতা করেছেন। দেশের সংকটকালে কেউ কেউ সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন। ডিপজল, অনন্ত জলিলের পর এবার শিল্পী সমিতিতে আর্থিক সহায়তা করলেন জনপ্রিয় কন্ঠশিল্পী কনক চাঁপা। আজ শনিবার স্বশরীরে শিল্পী সমিতি এসে সভাপতি মিশা সওদাগর ও সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খানের হাতে এ আর্থিক সহায়তা তুলে দেন।

এ প্রসঙ্গে সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খান বলেন, আমি প্রথমেই কৃতজ্ঞতা জানাতে চাই কনক চাঁপা আপাকে দেশের দুর্দিনে শিল্পীদের পাশে থাকার জন্য। করোনা ভাইরাসের কারনে দীর্ঘদিন কাজ বন্ধ। যার কারনে চলচ্চিত্রের সবচেয়ে কষ্টে দিনযাপন করছে অসচ্ছল মানুষগুলো। এরইমধ্যে আমরা বেশ কয়েকবার শিল্পী ও অন্যান্য সংগঠনের সদস্যদের সহায়তা করেছি। যতদিন করোনা ততদিন শিল্পীদের পাশে আছে শিল্পী সমিতি।

তিনি আরও বলেন, কথায় আছে শিল্পী হওয়া আধ্যাত্মিক ব্যাপার। সবাই শিল্পী হতে পারে না। আবার শিল্পীদের কোন ব্যারিকেড নেই। তেমনি একজন কন্ঠ শ্রমিক কনক চাঁপা। তিনি আমাদের এফডিসির কোন সংগঠনের সদস্য না। কিন্তু তিনি যে গানগুলো গেয়ে জনপ্রিয়তা পেয়েছেন তা সবই চলচ্চিত্রের। সেই ভালোবাসা থেকেই হয়ত আজ নিজে থেকে ফোন করে চলচ্চিত্রের অসচ্ছল শিল্পীদের জন্য নিজে এসে শিল্পী সমিতিতে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছেন।

এ প্রসঙ্গে কনক চাঁপা বলেন, চলচ্চিত্রের গান গেয়েই আজ আমি কনক চাঁপা হয়েছি। এই দুঃসময়ে চলচ্চিত্রের মানুষের প্রতি আমার দায়িত্ব আছে। তাই নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী সহায়তার চেষ্টা করেছি। বাসায় থাকুন, নিরাপদে থাকুন।

শেয়ার করুন:

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on pinterest
Share on whatsapp
Share on email
Share on print

আরও পড়ুন:

বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
১৭৮,৪৪৩
সুস্থ
৮৬,৪০৬
মৃত্যু
২,২৭৫

বিশ্বে

আক্রান্ত
৩২,৪৮৩,১৬৮
সুস্থ
২৩,৯৭৭,৯২৭
মৃত্যু
৯৮৮,৯০১

আর্কাইভ