বৃহস্পতিবার, ১৮ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
৩রা ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ
১৭ই রবিউস সানি, ১৪৪২ হিজরি
ads

লক’ডাউন শি’থিল হচ্ছে বাংলাদেশে!

দেশটুডে২৪ কেস্ক: আক্ষরিক অর্থে বাংলাদেশে লকডাউন শব্দটি ব্যবহার না হলেও সাধারণ ছুটি অনেকটা লকডাউনের মত করেই পালন হচ্ছে। যেসব এলাকা বা অঞ্চল, বাড়ি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছে সেসব বাড়ি, এলাকা বা অঞ্চল আনুষ্ঠানিক লকডাউন ঘোষনা করা হচ্ছে। বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা রাজধানী ঢাকায়। অথচ গেল কয়েকদিন আগেই খুলে দেয়া হয়েছে ঢাকা ও এর আশেপাশের গার্মেন্টস। দুই তিন ধরে দেখা যাচ্ছে রাস্তায় যানবাহনের ভির।

মানুষও চলাচল করছে আগের চেয়ে বেশি। সার্বিক অবস্থা বিবেচনা করে অনেকেই মনে করছে বাংলাদেশে লকডাউন শিথিল করা হচ্ছে। অর্থনীতি অচল হয়ে পড়ার কারণে বিশ্বের অনেক দেশ লকডাউন শিথিল করার কথা ভাবতে শুরু করেছে। হয়ত এমনটাই ভাবছে বাংলাদেশ।
তবে লকডাউন প্রত্যাহার বা শিথিল করার আগে ছয়টি শর্ত পূরণের তাগিদ দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। এসব শর্তের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশে কোথায় দাঁড়িয়ে রয়েছে?
বিবিসি বাংলার এক প্রতিবেদনে ৬টি শর্তের কথা বলা হয়। সেখানে ১ম যে শর্তের কথা বলা ঞয় তা হলো; এমপি পড়ালেন করোনায় মারা যাওয়া পুলিশ কর্মকর্তার জানাজা। দ্বীতিয়ত, দেশের স্বাস্থ্য বিভাগ প্রতিটা রোগীকে শনাক্ত, পরীক্ষা, আইসোলেশন আর চিকিৎসায় এবং সংস্পর্শে আসা প্রত্যেককে শনাক্ত করতে সক্ষম। ৩য় নার্সিংহোমের মতো সেবা কেন্দ্রগুলোর মতো নাজুক স্থানগুলোয় ঝুঁকি নিম্নতম পর্যায়ে নামিয়ে আনা। ৪র্থ স্কুল-কলেজ, অফিস-আদালত ও অন্যান্য দরকারি স্থানে সুরক্ষামূলক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা। ৫ম বাইরে থেকে আসা নতুন রোগীদের সামলানো। ৬ষ্ঠ সমাজের বাসিন্দারা পুরোপুরি সচেতন, সতর্ক ও নতুন জীবনযাপনের ব্যাপারে অঙ্গীকারবদ্ধ। প্রকৃতপক্ষে দেখা গেছে এই ৬টি শর্তের কোনটিই এখনও পূরণ করতে পারেনি বাংলাদেশ। তাহলে প্রশ্ন এখন তাহলে কেন শিথিল করতে যাচ্ছে লকডাউন।

গত করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে এক মাস ধরে চলা অবরুদ্ধ অবস্থা এখন কিছুটা শিথিল করার পক্ষে মত জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেছেন, দেশের অর্থনীতি বাঁচাতে সীমিত আকারে শিল্প-কারখানা খুলে দেওয়া যায়। তবে তা সঠিক নিয়মে ও দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ঠিক রেখে করতে হবে।

করোনাকালের অর্ধশত দিন পেরিয়ে অপরিকল্পিত লকডাউন বাংলাদেশকে ঝুঁকিতে ফেলছে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, হঠাৎ করে শিথিলতা ডেকে আনতে পারে বড় বিপদ। তাই দরকার সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা। আর তা বাস্তবায়ন করতে হবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনেই। তবে এমন সিদ্ধান্ত আত্মঘাতী নয় বরং সুরক্ষা মাথায় রেখে জীবিকার পথ খুলে দেয়া, বলছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

Share with Others

শেয়ার করুন:

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on pinterest
Share on whatsapp
Share on email
Share on print

আরও পড়ুন:

বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
১৭৮,৪৪৩
সুস্থ
৮৬,৪০৬
মৃত্যু
২,২৭৫

বিশ্বে

আক্রান্ত
৬৪,৯৩০,২৮৫
সুস্থ
৪৫,০২৫,২১৭
মৃত্যু
১,৫০১,২৬২

আর্কাইভ