শুক্রবার, ১০ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ ইং
৭ই সফর, ১৪৪২ হিজরী
ads

মুন্সিগঞ্জ এক পুলিশ কর্মকর্তাসহ নতুন করে আরও ৮ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত

মুন্সিগঞ্জ প্রতি‌নি‌ধি: মুন্সিগঞ্জ সদর ,লৌহজং এবং শ্রীনগর উপজেলায় এক পুলিশ কর্মকর্তাসহ নতুন করে আরও ৮ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১১৭ জনে। এছাড়া করোনা পরীক্ষার ফলাফলের অপেক্ষায় রয়েছেন আরো ১২৯ জন।

শনিবার (২ মে) (নিপসম) ও ’আইইডিসিআর’ থেকে ৬১ জনের সোয়াব পরীক্ষার রির্পোট আসে। এরমধ্যে মুন্সীগঞ্জ সদর থানার ওসি (তদন্ত) গাজী সালাউদ্দিনসহ ৮ জনের সোয়াব পরীক্ষার ফলাফল পজিটিভ জানানো হয় । দুপুরে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন মুন্সিগঞ্জ সিভিল সার্জন ডা. আবুল কালাম আজাদ।

এসময় তিনি বলেন, ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব প্রিভেন্টিভ অ্যান্ড সোশ্যাল মেডিসিন (নিপসম) নিয়মিত সোয়াব পরীক্ষার ফলাফল জেলায় পাঠাচ্ছেন । পাশাপাশি রোগিদের মুঠোফোনে মেসেজের মাধ্যমে সাথে সাথে ফল জানিয়ে দেওয়া হচ্ছে । এছাড়াও তিনি আরও বলেন, নিয়ম মেনে সবাই চলাচল করলে করোনা সংক্রমণ রোধ করা সম্ভব।

নতুন আক্রান্তরা হলেন, মুন্সীগঞ্জ সদর থানার ওসি (তদন্ত) গাজী সালাউদ্দিন (৩৯),সদর উপজেলার মিরকাদিম এলাকার দুই পুরুষ (২৬) ও (৫৬), সিলিমপুর এলাকার পুরুষ (৪০) মুক্তারপুর এলাকার পুরুষ (৫৭) এবং শহরের জিপিএইচ টাওয়ারের পুরুষ (৪৩)। শ্রীনগর উপজেলার ষোলঘর এলাকার পুরুষ (২৯) । লৌহজং উপজেলার ঘোড়াকান্দা গ্রামের নারী (৬২)।

সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ এপ্রিল আইইডিসিআরে পাঠানো ২৩টি নমুনার সবগুলোর ফলাফল আসে। সেখানে ৩ জনের করোনাভাইরাস শনাক্ত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)। এছাড়াও ৩০ এপ্রিল ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব প্রিভেন্টিভ অ্যান্ড সোশ্যাল মেডিসিনে (নিপসম) পাঠানো ৩৮টি নমুনার মধ্যে ৫ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়। এ নিয়ে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্যমতে সর্বমোট ১১৭ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে । এরমধ্যে ৭ জন মৃত ও ৪ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। আজ ১১ জনসহ জেলার মোট ৮২৮ জনের নমুনা পাঠানো হয়। ইতোমধ্যে ৬৯৯ জনের নমুনার ফল পাওয়া গেছে।

সিভিল সার্জন আবুল কালাম আজাদ বলেন, করোনা ভাইরাস মুন্সিগঞ্জের সর্বত্রই ছড়িয়ে পড়ছে। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের বেশির ভাগই পুরোনোদের সংস্পর্শে এসে হচ্ছেন। তাই রোগী, স্বজন ও প্রতিটি এলাকার মানুষকে সচেতন হতে হবে। কারো মধ্যে সামান্য পরিমাণে উপসর্গ দেখা দিলে, তারা সাথে সাথে করোনা পরীক্ষা করার জন্য স্বাস্থ্য বিভাগকে তাদের নমুনা দেওয়া পাশাপাশি আইসোলেশনে থাকে। নয়ত সংক্রমন আরো বেড়ে যাবে।

এখন পর্যন্ত সদর উপজেলায় ৪৫ জন, টঙ্গীবাড়ি উপজেলায় ১২, সিরাজদিখান উপজেলায় ২৩, শ্রীনগর উপজেলায় ১১ জন, লৌহজং উপজেলায় ১৪ জন এবং গজারিয়া উপজেলায় ১২ জন করোনায় আক্রান্ত রোগী পাওয়া গেছে। এদের মধ্যে সদরে চারজন, টঙ্গীবাড়িতে দুইজন ও লৌহজং উপজেলায় একজন করোনা সনাক্ত হওয়ার আগেই মারা যায়। তবে, সিরাজদিখান উপজেলায় একই পরিবারের দু’জন , শ্রীনগর উপজেলায় একজন ও সদর উপজেলায় একজন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

শেয়ার করুন:

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on pinterest
Share on whatsapp
Share on email
Share on print

আরও পড়ুন:

বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
১৭৮,৪৪৩
সুস্থ
৮৬,৪০৬
মৃত্যু
২,২৭৫

বিশ্বে

আক্রান্ত
৩২,৪০১,৭১০
সুস্থ
২৩,৯১৯,১০২
মৃত্যু
৯৮৭,১৫৬

আর্কাইভ