বুধবার, ২৮শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
১২ই আগস্ট, ২০২০ ইং
২১শে জিলহজ্জ, ১৪৪১ হিজরী
ads

বাঞ্ছারামপুরে ৮ম শ্রেণীর ছাত্রীকে জোর পূর্বক গণধর্ষণ, থানায় মামলা গ্রেফতার ৩

মো.নাছির উদ্দিন-বাঞ্ছারামপুর-প্রতিনিধি:

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মানিকপুর ইউনিয়নের বাহেরচর গ্রামের উত্তর পাড়ায় ৮ম শ্রেণির ছাত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ধর্ষণের শিকার পলি আক্তার জান্নাতি (১৫) বাহেরচর গ্রামের আলাউদ্দিনের মেয়ে। সে বাহেরচর উচ্চ বিদ্যালয়ের অস্টম শ্রেণীর ছাত্রী। এই ঘটনায় পলি আক্তারের বাবা আলাউদ্দিন বাদি হয়ে ১০ এপ্রিল বাঞ্ছারামপুর মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলার নং ০৫, তারিখ ১০/০৪/২০২০ইং। ধারা ৭/৯(৩) ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন সংশোধনী ২০০৩ সহ ৩২৩/৫০৬ পেনাল কোড ১৮৬০।

মামলার আসামীরা হলেন বাহেরচর গ্রামের উত্তরপাড়ার ইমান্দি বেপারী বাড়ির ছানা উল্লাহ ও কুকিলা বেগমের ছেলে ইমন মিয়া (১৯), উত্তর পাড়ার ছমির বেপারীর বাড়ির মরহুম আবদুল দানিস ও মনোয়ারা বেগমের ছেলে মকুল হোসেন (২৭), মো মবিন মিয়া ও হেলেনা বেগমের ছেলে ইয়াছিন আরাফাত (২৩) এবং আলী হোসেনের ছেলে সাদ্দাম হোসেন (২৬)। এই ঘটনায় বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় তোলপাড় শুরু হয়েছে। চারদিকে বিচারের দাবি এলাকাবাসীর। ইতোমধ্যে পুলিশ ৩জনকে গ্রেফতার করেছে। অভিযুক্ত সাদ্দাম হোসেন পলাতক রয়েছে।

স্থানীয় ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ঘটনার দিন রাতে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে ঘর থেকে বের হয় পলি আক্তার। সেখানে পূর্বে থেকে ওৎ পেতে থাকা ইমন মিয়া ও তার সহযোগীরা পলি আক্তারের নাক মুখ চেপে ধরে। তারপর তাকে পাজাকোলা করে বাহেরচরে নির্মানাধীন ক্যাপ্টেন এ বি তাজুল ইসলাম কলেজের উত্তর পূর্ব পাশে জমিতে নিয়ে যায়। সেখানে প্রথমে পলি আক্তারকে এলোপাথারীভাবে কিল, ঘুষি মেরে মারাত্মকভাবে জখম করে। তারপর প্রথমে মকুল হোসেন পলি আক্তারকে জোপূর্বক ধর্ষণ করে। মুকুল হোসেনের পর ইমন মিয়া, ইয়াছিন আরাফাত ও সাদ্দাম হোসেন পালাক্রমে ধর্ষণ করে।

এদিকে মেয়েকে অনেক খোঁজাখুজির পর না পেয়ে আলাউদ্দিন ও তার স্ত্রী চিৎকার করে কাঁদতে থাকে। এরই মধ্যে পাড়া প্রতিবেশী ছুটে আসেন। রাত ১২টার দিকে কোনমতে হেলেদুলে বিবস্ত্র অবস্থায় বাড়িতে আসেন পলি আক্তার। উঠানে এসেই ধপাস করে মাটিতে পড়ে যায়। একটি সূত্র থেকে জানা যায় ছানাউল্লাহর ছেলে ইমন মিয়া দীর্ঘদিন যাবত পলি আক্তারকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। বিভিন্ন সময় পথে প্রান্তরে নানাভাবে পলি আক্তারকে উত্যক্ত করছিল। কিন্তু পলি আক্তার পড়াশুনা নিয়েই ব্যস্ত ছিল। তার স্বপ্ন ছিল বড় হয়ে ডাক্তার হবে। বাবা মায়ের অভাবের সংসারের হাল ধরবেন। কিন্তু ধর্ষকরা তার সেই আশা ও স্বপ্ন শেষ করে দিয়েছে। এই ব্যাপারে কথা বলার জন্য মানিকপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুর রহিমের সাথে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

শেয়ার করুন:

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on pinterest
Share on whatsapp
Share on email
Share on print

আরও পড়ুন:

বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
১৭৮,৪৪৩
সুস্থ
৮৬,৪০৬
মৃত্যু
২,২৭৫

বিশ্বে

আক্রান্ত
২০,৫২৮,৬৮০
সুস্থ
১৩,৪৪৯,১০১
মৃত্যু
৭৪৬,০০০

আর্কাইভ