শুক্রবার, ১২ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
২৭শে নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ
১১ই রবিউস সানি, ১৪৪২ হিজরি
ads

রায়ের অপেক্ষায় রোহিঙ্গারা, বিভিন্ন স্থানে প্রার্থনা

দেশটুডে২৪ অনলাইন ডেস্ক: বহুল প্রতিক্ষীত ও আকাঙ্খিত জাতিসংঘের সর্বোচ্চ সংস্থা আন্তর্জাতিক আদালতের রোহিঙ্গা গণহত্যার অন্তর্বর্তীকালীন রায় আজ প্রকাশ করা হবে। এ রায়ের অপেক্ষায় রয়েছেন লাখ লাখ রোহিঙ্গা। সুষ্ঠু রায়ে ন্যায্য অধিকার ফিরে পেলে স্ব সম্মানে মিয়ানমারে ফিরতে আগ্রহী রোহিঙ্গারা। রোহিঙ্গাদের পাশপাশি স্থানীয়রাও এ রায়ের অপেক্ষা করছেন বলেও জানা গেছে।

গণহত্যা, নির্যাতন, নিপীড়ন, অগ্নিসংযোগ ও ধর্ষণের অভিযোগে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের পক্ষে গাম্বিয়ার করা মামলায় বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) অন্তর্বর্তীকালীন রায় ঘোষণা করবে আন্তর্জাতিক আদালত (আইসিজে)।

এ রায়ের দিনক্ষণ ঘোষণা করার পর থেকে ক্যাম্পে বসে নিয়মিত রেডিও টেলিভিশনে চোখ রেখে আসছে রোহিঙ্গারা সেই সাথে তাদের মোবাইলে দেশে বিদেশে যোগাযোগ রাখছে। বহুল আকাঙ্খীত রায়ের অপেক্ষায় রয়েছে লাখো রোহিঙ্গা। এ রায়ের মাধ্যমে তাদের নাগরিকত্ব ও ন্যায্য অধিকার নিয়ে স্ব সম্মানে ফিরতে অধীর আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করছে বলে জানিয়েছেন তারা।

২৭ নং রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরের মাঝি (রোহিঙ্গা নেতা) মোহাম্মদ জাকারিয়া জানান, আজ গাম্বিয়ার করা মামলায় আন্তর্জাতিক আদালত অন্তর্বর্তীকালীন রায় প্রকাশ করা হবে। এ রায় সুষ্ঠুু ও সুন্দর হলে অর্থাৎ তাদের নাগরিকত্ব ও ন্যায্য অধিকার ফিরে দেওয়া হলে মিয়ানমারে ফিরতে তারা অধীর আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষায় রয়েছে বলে জানান তিনি।

হেড মাঝি বজলুর রহমান জানান, রায় আমাদের পক্ষে আসার জন্য আমরা নারী পুরুষ প্রার্থনা অব্যাহত রেখেছি।

রাহিঙ্গা নেতা মহিববুল্লাহ বলেন, আন্তর্জাতিক আদালতের গত শুনানিতে সূচি যা বলেছে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট এবং উদ্দেশ্য প্রণোদিত। তিনি রোহিঙ্গা সম্প্রদায়কে রোহিঙ্গা বলেও উল্লেখ করছেননা।

হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মোহাম্মদ আলী বলেন, আন্তর্জাতিক আদালতের সুষ্ঠু রায়ের মধ্য দিয়ে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের আশাবাদ ব্যাক্ত করেন তিনি।

নয়াবাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি প্রধান শিক্ষক ফরিদুল আলম বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা লাখ লাখ রোহিঙ্গাদের স্থান দিয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। কিন্তু এত বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাদের স্থায়ীভাবে স্থান দেওয়া সম্ভব নয়। রোহিঙ্গা গণহত্যার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করে রোহিঙ্গাদের দ্রুত প্রত্যাবাসন করার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

উল্লেখ্য, গত ২০১৭ সালের আগস্টে রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর পূর্ব-পরিকল্পিত ও কাঠামোগত সহিংসতা, ধর্ষণ ও নির্যাতন চালায় মিয়ানমার সেনাবাহিনী। হত্যাকাণ্ড, সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, ঘরবাড়িতে অগ্নিসংযোগের বাস্তবতায় জীবন বাঁচাতে নতুন করে বাংলাদেশে পালিয়ে আসে সাত লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা। এ নৃশংসতাকে ‘গণহত্যা’ আখ্যা দিয়ে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর জাতিসংঘের আদালত ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস (আইসিজে) এ মামলা করে গাম্বিয়া।

আদালতের শুনানিতে গাম্বিয়ার পক্ষে লড়েন দেশটির আইনমন্ত্রী এবং মিয়ানমারের পক্ষে যুক্তিতর্ক তুলে ধরেন দেশটির কার্যত সরকার প্রধান অং সাং সু চি।

Share with Others

শেয়ার করুন:

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on pinterest
Share on whatsapp
Share on email
Share on print

আরও পড়ুন:

বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
১৭৮,৪৪৩
সুস্থ
৮৬,৪০৬
মৃত্যু
২,২৭৫

বিশ্বে

আক্রান্ত
৬১,৩৬৮,৫৬৬
সুস্থ
৪২,৪৪৪,২০৮
মৃত্যু
১,৪৩৮,৭৮৬

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১