রবিবার, ১২ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ
৯ই সফর, ১৪৪২ হিজরি
ads

ইশরাকের পিএস গ্রেফতার বাড়ি বাড়ি ঢুকে পুলিশের অভিযানের অভিযোগ মির্জা আব্বাস

আসিফ সোহানঃ ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী ইশরাক হোসেনের ব্যক্তিগত সহকারী আরিফুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। আজ বুধবার রাজধানীর ওয়ারী এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশের ঊর্ধ্বতন একটি সূত্র। গত রোববার রাজধানীর টিকাটুলীর অভয় দাস লেনে নির্বাচনী প্রচারের সময় ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও বিএনপির কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের সময় গুলি ছোড়ার অভিযোগে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের একটি সূত্র বলছে, আগামীকাল বৃহস্পতিবার গ্রেপ্তারের এই খবর সংবাদ সম্মেলন করে প্রকাশ করবে ডিবি।

সূত্রটি জানায়, গোয়েন্দা পুলিশের পূর্ব বিভাগের একটি দল বেলা সাড়ে তিনটার দিকে ওয়ারী থেকে ইশরাকের ব্যক্তিগত সহকারী আরিফুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে। ওই সূত্র বলছে, যে অস্ত্রটি দিয়ে তিনি গুলি করেছিলেন, সেটিও জব্দ করা হয়েছে। ডিবি সূত্র বলছে, আরিফুলের এই অস্ত্রের লাইসেন্স রয়েছে। ২০১৯ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর তিনি অস্ত্রটির লাইসেন্স করেন। গোয়েন্দা পুলিশের পূর্ব বিভাগের উপকমিশনার মো. আসাদুজ্জামান এ–সংক্রান্ত কোনো তথ্য তাঁদের কাছে নেই বলে দাবি করেন। ওয়ারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আজিজুর রহমান এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তিনি বলেন, ঘটনাটি তদন্তাধীন। তাই এ বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করবেন না। গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার আবদুল বাতেন গণমাধ্যমকে বলেন, এ বিষয়ে তথ্য পেতে আগামীকাল সকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। উল্লেখ্য রোববার রাজধানীর টিকাটুলী মোড় থেকে ইশরাক হোসেন কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে মিছিল করে সেন্ট্রাল উইমেন্স কলেজের গলিতে ঢোকার সময় কলেজের মূল ফটকে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।

সেখানে আওয়ামী লীগ–সমর্থিত ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডের স্থানীয় কাউন্সিলর প্রার্থী রোকনউদ্দিন আহমেদের সমর্থকদের সঙ্গে ইশরাকের কর্মী-সমর্থকদের বাগ্বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে দুই পক্ষই একে ওপরের উদ্দেশ্যে ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু করে। এর মধ্যে অন্তত ১০টি গুলির শব্দও শোনা গেছে। দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটের দিকে শুরু হয়ে বেলা ১টা ২৫ মিনিট পর্যন্ত পাল্টাপাল্টি ধাওয়া চলে। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। এ ঘটনায় মাকসুদ আহমেদ নামের একজন বাদী হয়ে ওয়ারী থানায় মামলা করেন। মামলায় ৫০ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত এক শ থেকে দেড় শ জনকে আসামি করা হয়। মামলার আসামিরা বিএনপির নেতা-কর্মী। পরে গত সোমবার সংঘর্ষের ঘটনায় গ্রেপ্তার বিএনপির পাঁচ কর্মীর এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

এদিকে ২৯ তারিখ সন্ধার পর থেকে শুরু হয়ে গেছে ধরপাকর। নেতা কর্মীদের বাড়িতে বাড়িতে বাড়িতে ঢুকে পুলিশ তল্লাশি চালাচ্ছে বলে গনমাধ্যমকে অভিযোগ করেছেন বিএনপির দক্ষিণ সিটির প্রধান সমন্বয়ক ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস । তিনি বলেন ঘরে ঢুকে ঢুকে পুলিশ আমাদের নেতা কর্মীদের খুঁজছে, গ্রেপ্তা আতংকে প্রায় সবাই বাড়ি ছেরে অন্যত্র রাত কাটাতে হচ্ছে। হঠাৎ করে সরকার এতো ভয় পেলেন কেন? এতোদিনতো কিছুই করলেন না, এখন ছাত্রলীগকে অস্ত্র দিয়ে নামিয়ে দিয়েছেন, পত্রিকায় দেখছি তারা নানা হুমকি ধামকি দিচ্ছে। গনজোয়ার দেখে এতো ভয় পেয়েছেন? দেশের জনগন বিএনপির সাথে আছে, সব ষরযন্ত্র রুখে দেবে ইনশাআল্লাহ।

Share with Others

শেয়ার করুন:

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on pinterest
Share on whatsapp
Share on email
Share on print

আরও পড়ুন:

বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
১৭৮,৪৪৩
সুস্থ
৮৬,৪০৬
মৃত্যু
২,২৭৫

বিশ্বে

আক্রান্ত
৩৩,১৮৩,৭৭২
সুস্থ
২৪,৫০৭,৫০৩
মৃত্যু
১,০০০,৩৬০

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১