বৃহস্পতিবার, ২২শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
৬ই আগস্ট, ২০২০ ইং
১৪ই জিলহজ্জ, ১৪৪১ হিজরী
ads

সুযোগ পেলে বোলিং কোচ হতে চাই: সুজন

দেশটুডে২৪ নিউজ: দেশের ডাকে হঠাৎ-ই মাত্র বাংলাদেশের বোলিং কোচের দায়িত্ব ছেড়ে দিলেন দক্ষিন আফ্রিকার সাবেক খেলোয়াড় চার্ল ল্যাঙ্গেভেল্ড। এতে বাংলাদেশ জাতীয় দলের বোলিং কোচের পদটি শুন্য হয়ে গেলো। আর ঐ পদে সুযোগ পেলে তা লুফে নিতে তৈরি বিসিবির গেম ডেভেলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদ সুজন। বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের চট্টগ্রাম পর্বে আজ বা কাল খেলা নেই খুলনা টাইগার্সের। তাই চট্টগ্রামের এমএ আজিজ স্টেডিয়ামে ঐচ্ছিক অনুশীলন করে খুলনা। এবারের আসরে খুলনার টিম ডিরেক্টর সুজন। খুলনার ঐচ্ছিক অনুশীলন শেষে ল্যাঙ্গেভেল্ডের চলে যাওয়াটা জাতীয় দলের জন্য খুব বেশি সমস্যাকর হবে না বলে জানান সুজন। পাশাপাশি বোলিং কোচের শুন্য পদে সুযোগ পেলে দায়িত্ব পালন করার আগ্রহও প্রকাশ করেছেন সুজন।

তিনি বলেন, ‘সুযোগ পেলে তো সবাই আগ্রহী হবে। আমার পেশা তো কোচিং, আগ্রহের ব্যাপার অবশ্যই আছে। এর আগেও দু’বার বাংলাদেশের হেড কোচ হিসেবে নিয়োগ পেয়েছি আমি। বলাই ছিল যে একটা নির্দিস্ট সময়ের জন্য। তারপরও ধরুন যখন বাদ পড়ি, রেজাল্ট খারাপ হয় তখন খারাপ লাগে। আমি এর আগেও বলেছিলাম দীর্ঘমেয়াদের জন্য করলে ভালো হয়। স্বল্পমেয়াদের জন্য একটা সফরে দলটাকে গোছানো কঠিন হয়ে পড়ে।দীর্ঘমেয়াদের কেন কোচ হতে চান সুজন, সেই ব্যাখাও দিয়েছেন তিনি। বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক সুজন বলেন, ‘আমি তো সব সময় দীর্ঘমেয়াদী কোচ পছন্দ করি। আমি মনে করি এটার প্রয়োজন আছে। কারন একটা মানুষের দল গোছাতেও সময় লাগে। নতুন লোকের জন্য হঠাৎ করে এসেই হয় না। যেটা হয় আসলে জাতীয় দলকে দেখেন তার বাইরেও যে আমাদের অনেক খেলোয়াড় আছে, হাই পারফরম্যান্স থেকে অনেক খেলোয়াড় উঠে আসছে আস্তে-আস্তে

তাদেরকেও দেখার সুযোগ হয়ত-বা হয় না। জাতীয় দলে সফর ওরিয়েন্টেড কোচিং হয়। সফর নিয়ে ব্যস্ত থাকে তখন দেখার সুযোগ হয় না। লম্বা সময়ের জন্য হলে তো অবশ্যই ভালো।’

বাংলাদেশ দলের খেলোয়াড়দের ভালো করে চেনে, জানেন বলেই জাতীয় দলের প্রতি নিজের আগ্রহ বেশি সুজনের। তিনি বলেন, ‘আমার দর্শন এবং অন্য কোচের দর্শন কিন্তু এক হবে না। প্রত্যেকটা কোচেরই ভিন্ন ভিন্ন দর্শন থাকে। তাই নিজের পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করতে গেলে সময় লাগে। বাংলাদেশ টিমকে আমি খুব কাছ থেকে দেখি, ছেলেদের ভেতরটা জানি। খেলোয়াড়দের কাছেও কোচ হিসেবে আমাদের কতটা গ্রহণযোগ্যতা আছে স্থানীয়দের ব্যাপারে এবং বিদেশি কোচ আসলে একটা এক্সসাইটমেন্ট থাকে সেটিও একটা ব্যাপার।’

স্থানীয় কোচদের সুযোগ দেয়া উচিত বলে মনে করেন সুজন, ‘বাংলাদেশে যারা ভালো কোচিং করাচ্ছে এখন তাদের সুযোগ দেয়া যেতেই পারে। আমি জেমস ফস্টারের কথাই বলি, ২০১৮ সালে খেলা ছাড়লেন তিনি। আর এক বছরের মধ্যেই কিন্তু বিপিএলের হেড কোচ হয়েছেন। সে সুযোগটা কিন্তু আমাদের ছেলেদের নেই। বিসিবির উচিত স্থানীয় কোচদের তুলে এনে কাজের সুযোগ করে দেয়া, সেটা জাতীয় দল হতে পারে এইচপিতেও হতে পারে। কারণ অনূর্ধ্ব-১৯ দলেও দেখি বিদেশি কোচ আছে। যদিও গেম ডেভেলপমেন্টের চেয়ারম্যান আমি। দোষটা আমারও কিছুটা আছে। আমি মনে করি এখানেও স্থানীয় কোচদের নিয়ে চিন্তা করতে পারি, জুনিয়র টিমে কেন নেয়।উদাহরনস্বরুপ উপমহাদেশের ক্রিকেট দলগুলোর কথা কথা তুলে ধরেন সুজন। তিনি বলেন. ‘পাশের দেশ শ্রীলংকাতেও দেখেন সেখানকার অনেক কোচ বিদেশে কোচিং করাচ্ছে। এখানে কিন্তু আমরা পিছিয়ে আছি। পাকিস্তান-ভারত তো করছেই। এখানে আমরা পিছিয়ে আছি। নিজের দেশেই কাজ করার সুযোগ পাচ্ছি না। বাইরে কাজ করার সুযোগটা কীভাবে পাব। বাংলাদেশের কোচদের তুলে আনার সুযোগ হয়েছে এখন।’ বাসস

শেয়ার করুন:

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on pinterest
Share on whatsapp
Share on email
Share on print

আরও পড়ুন:

বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
১৭৮,৪৪৩
সুস্থ
৮৬,৪০৬
মৃত্যু
২,২৭৫

বিশ্বে

আক্রান্ত
১৮,৯২২,২৩৫
সুস্থ
১২,০৭৭,৪৯৬
মৃত্যু
৭০৯,২৯১

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১