বুধবার, ২১শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
৫ই আগস্ট, ২০২০ ইং
১৪ই জিলহজ্জ, ১৪৪১ হিজরী
ads

বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্বে থাকবে ৮৭ খিত্তা

দেশটুডে২৪ নিউজ: গাজীপুরের টঙ্গীর তুরাগ নদীর তীরে আগামী ১০ জানুয়ারি শুরু হবে বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব। শেষ হবে ১২ জানুয়ারি। প্রথম পর্বে ৬৪ জেলার মুসল্লিদের জন্য ৮৭টি খিত্তা তৈরি করা হবে। ইজতেমা ময়দানে থাকবে ২০টি প্রবেশ পথ।

মঙ্গলবার বিকেলে গাজীপুর সার্কিট হাউজের সম্মেলন কক্ষে প্রস্তুতি সভায় প্রথম পর্বে বিশ্ব

ইজতেমা ময়দানের জিম্মাদার মাওলানা মাহফুজুর রহমান এসব তথ্য জানান। সভায় সভাপতিত্ব করেন গাজীপুরের জেলা প্রশাসক এস এম তরিকুল ইসলাম।

বিশ্ব ইজতেমা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে সভায় বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, স্বাস্থ্যসেবা, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিতসহ মুসল্লিদের বিভিন্ন সেবামূলক কর্মকাণ্ড নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। আগামী ৭ জানুয়ারির মধ্যে যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট সব বিভাগকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

সভায় জানানো হয়, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে তিনটি গ্রিড লাইন থেকে সংযোগ এবং চারটি জেনারেটর স্ট্যান্ডবাই থাকবে। মুসল্লিদের পারাপারের জন‌্য তুরাগ নদীতে সাতটি ভাসমান সেতু নির্মাণ করা হবে। অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে ৩০টি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে। দুটি হটলাইনসহ ৫০টি টেলিফোন সংযোগ দেয়া হবে।

মুসল্লিদের যাতায়াতের সুবিধার্থে ১০টি বিশেষ ট্রেন দেয়া হবে। ট্রেনের কোচ বাড়ানো হবে। সব ট্রেন টঙ্গীতে যাত্রাবিরতি করবে। স্টেশনে মুসল্লিদের জন্য আলাদা অস্থায়ী বিশ্রামাগার ও শতাধিক টয়লেট তৈরি করা হবে। মশা নিধনে ইজতেমা শুরুর পাঁচ দিন আগে থেকে ময়দান ও এর আশপাশের এলাকায় স্প্রে করা হবে। ধুলাবালি নিয়ন্ত্রণে পানি ছিটানো হবে।

মুসল্লিদের প্রবেশ ও বের হওয়ার জন্য ২০টি পথ তৈরি করা হবে। পুরো ইজতেমা ময়দানকে ৮৭টি খিত্তায় ভাগ করা হবে। এতে ৬৪টি জেলার মুসল্লিরা থাকবেন। এর মধ্যে ঢাকা জেলার জন্য ২৩টি খিত্তা এবং ময়মনসিংহ জেলার জন্য দুটি খিত্তা রাখা হবে। বাকি সব জেলার মুসল্লিরা একটি করে খিত্তায় থাকবেন। বসানো হবে ৪৫০টি সিসি ক্যামেরা। নিরাপত্তার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পর্যাপ্ত সদস্য উপস্থিত থাকবেন। বিজিবি সদস্য স্ট্যান্ডবাই রাখা হবে। ৮ হাজার ৩৩১টি টয়লেট থাকবে। ১৭টি গভীর নলকূপ দিয়ে পানি সরবরাহ করা হবে।

প্রস্তুতি সভায় উপস্থিত ছিলেন- গাজীপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আবু নাসার উদ্দিন, ইজতেমা ময়দানের জিম্মাদার মাওলানা মাহফুজুর রহমান, মুরুব্বি জি এম ইউসুফ, প্রকৌশলী নূর হোসেন, হাজী সেলিম, হাজী রেজাউল করিম, ড. আলী আজগরসহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিগণ।

আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে আগমী ১২ জানুয়ারি প্রথম পর্ব শেষ হবে। চার দিন বিরতি দিয়ে ১৭ জানুয়ারি থেকে ১৯ জানুয়ারি পর্যন্ত হবে দ্বিতীয় পর্বের ইজতেমা। ইজতেমার প্রথম পর্বে মাওলানা জুবায়েরের অনুসারী এবং দ্বিতীয় পর্বে মাওলানা সাদের অনুসারীগণ অংশ নেবেন।

শেয়ার করুন:

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on pinterest
Share on whatsapp
Share on email
Share on print

আরও পড়ুন:

বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
১৭৮,৪৪৩
সুস্থ
৮৬,৪০৬
মৃত্যু
২,২৭৫

বিশ্বে

আক্রান্ত
১৮,৭০১,১৬৭
সুস্থ
১১,৯১৫,২৬৪
মৃত্যু
৭০৪,৩৪৯

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১