মঙ্গলবার, ২০শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
৪ঠা আগস্ট, ২০২০ ইং
১৩ই জিলহজ্জ, ১৪৪১ হিজরী
ads

ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতা নূর মোহাম্মাদ মোল্লা

একজন ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতা নূর মোহাম্মাদ মোল্লা, তিনি আবারও মানিকপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি নির্বাচিত হলেন। ইতোপূর্বে তিনি ৫বার ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ছিলেন। সম্প্রতি আবারও সভাপতি হয়ে ৬ষ্ঠ বারের মত দায়িত্ব নিয়ে আওয়ামীলীগের হাতকে শক্তিশালী করার জন্য মাঠে নেমে পড়েছেন। ব্রাক্ষনবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মানিকপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি নূর মোহাম্মদ মোল্লা একজন প্রবীণ আওয়ামীলীগ নেতা। দলের চরম দুঃসময়েও জীবনের উপর ঝুঁকি তিনি মাঠে দলের জন্য কাজ করেছেন। দলের প্রতি তার বিশ্বাস পাহাড়সম। দলকে তিনি মনে প্রাণে ভালবাসেন। সেই ১৯৭০ সালে ডষ্টর এ ডব্লিউ এম আব্দুল হকের সাথে প্রথমবারের মতো ধানমন্ডিতে গিয়ে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে দেখা করেছিলেন। পরে কয়েকবার বঙ্গবন্ধুর দেখা পান নূর মোহাম্দ মোল্লা।

১৯৭৩ সালে ডষ্টর এ ডব্লিউ এম আব্দুল হককে বিজয়ী করতে পুরো উপজেলায় ঘুরে ঘুরে কাজ করেছিলেন তিনি। হক মিজানুর রহমানের সাথে চলে যাওয়ার পর বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে লালন করে বেশ কিছুদিন চুপ ছিলেন। এ সময় এসপি মহিউদ্দিন আহমেদ, আউয়াল মাস্টারের সাথে মাঠে নেমে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা আওয়ামীলীগকে শক্তিশালী করার জন্য কাজ করতে থাকেন। ১৯৮৬ সালে ক্যাপ্টেন এ বি তাজুল ইসলাম মাঠে নামার পর নূর মোহাম্দ মোল্লা যেন পান ফিরে পান। তিনি নতুন উদ্যোমে মাঠে নেমে পড়েন। তার সুদৃঢ় ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বে বাঞ্ছারামপুরের পশ্চিমাঞ্চলে আওয়ামীলীগ গতি ফিরে পায়। ১৯৯১ সালে পশ্চিমাঞ্চলের অনেকেই নৌকার বিপক্ষে গিয়ে ব্যক্তির নির্বাচন করলে ও নূর মোহাম্মদ মোল্লা ক্যাপ্টেন এ বি তাজুল ইসলামের পক্ষে নৌকা মার্কাকে বিজয়ী করতে মাঠে নেমে কাজ করেন। ১৯৯৬ সালে ক্যাপ্টেন এ বি তাজুল ইসলাম বিজয়ী হওয়ার পর পশ্চিমাঞ্চলকে আওয়ামী লীগের ঘাঁটিতে পরিণত করেন নূর মোহাম্মদ মোল্লা। ২০০১ সালে বিএনপি জামায়াত ক্ষমতায় আসলে এবং বাঞ্ছারামপুর থেকে আব্দুল খালেক নির্বাচিত হলে আবারও অনেকে দল ছেড়ে দেয়।

কিন্তু নূর মোহাম্মদ মোল্লা দলের সাথে থাকেন। ওই সময় ক্যাপ্টেন এ বি তাজুল ইসলামকে সারাক্ষণ সময় দিতে থাকেন। আর সেই কারণেই বিএনপি জামায়াত কর্তৃক নানাভাবে নির্যাতনের শিকার হন নূর মোহাম্মদ মোল্লা। শত অত্যাচার নির্যাতন ও বাধা বিপত্তির মুখেও আওয়ামীলীগ এবং ক্যাপ্টেন এ বি তাজুল ইসলামের পাশে থেকেই দলের জন্য কাজ করে যান তিনি। ২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত একাধিকবার জীবনের উপর হুমকী আসে। তারপর ও তিনি থেমে থাকেননি। ২০১৮ সালে আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় আসলে এবং ক্যাপ্টেন এ বি তাজুল ইসলাম এমপি নির্বাচিত হলে সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সাথে এলাকার স্বার্থে ও উন্নয়নে কাজ করে যান। তারই ফলশ্রুতিতে বারবার এলাকাবাসী তার পক্ষেই মাঠে থাকেন এবং ইউনিয়নের সকল জনগণের কল্যাণে নিবেদিতপ্রাণ নূর মোহাম্মাদ মোল্লা। এই ইউনিয়নের জনগণকে তিনি মনেপ্রাণে ভালবাসেন। তারাও তাকে মনেপ্রাণে ভালবাসে। এলাকার সার্বিক উন্নয়ন ও অগ্রগতির লক্ষ্যেই কাজ করে থাকেন। এলাকার স্বার্থের পরিপন্থী কোন কাজে তিনি সম্পৃক্ত থাকেন না। তার চিন্তা ভাবনা ও কল্পনায় শুধুই এলাকার উন্নয়ন এবং বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বাস্তবায়ন। সেই সাথে স্থানীয় এমপি ক্যাপ্টেন এ বি তাজুল ইমলামের হাতকে শক্তিশালীকরণ। নূর মোহাম্মদ মোল্লা ৬ষ্ঠ বারের মতো মানিকপুর ইউনিয় আওয়ামী লীগ এর সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় মহান আল্লাহর কাছে লাখ কোটি শোকরিয়া জ্ঞাপন করেন। পাশাপাশি তিনি আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ ও চির কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন স্থানীয় এমপি ক্যাপ্টেন এবি তাজুল ইসলামের প্রতি। সেই সাথে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলামের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

মানিকপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সম্মেলন সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হওয়ায় উপজেলা ও ইউনিয়ন আওয়ামীগ, যুবলীগ, সেচ্ছাবেকলীগ, কৃষকলীগ, শ্রমীকলীগ ও ছাত্রলীগ সহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সংগঠনের নেতাকর্মীদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তার গ্রাম বাহেরচরের সমাপ্ত বিশ্বাসী মানুষের প্রতি। বাহেরচর গ্রামবাসী তথ্য মানিকপুর ইউনিয়ন এর বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী প্রতিটি মানুষের প্রতিও তিনি কৃতজ্ঞতা থাকেন। গত ৫ দশক ধরে আওয়ামীলীগের রাজনীতি করে আসা নূর মোহাম্মদ মোল্লা একজন সৎ আদর্শ নীতিবান ও পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক নেতা হিসাবে বাঞ্ছারামপুরবাসীর কাছে পরিচিত। বঙ্গবন্ধুর নীতি ও আদর্শের বাইরে গিয়ে তিনি কোন কাজ করেননি। তার চিন্তা ভাবনা ও কল্পনায় শুধুই বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণের স্বপ্ন। আর সেই স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করার জন্য ১৯৮৬ সাল থেকে অদ্যাবধি পর্যন্ত ক্যাপ্টেন এ বি তাজুল ইসলামের একজন কর্মী হিসাবে মাঠে নেমে কাজ করে যাচ্ছেন। জীবনে কোনদিন লোভ লালসার বশে অন্যায়কে মেনে নেননি। সেই কারণে ক্যাপ্টেন এ বি তাজুল ইসলামের কাছে ও একজন ক্লিন ইমেজের মানুষ হিসাবে পরিচিত নূর মোহাম্মদ মোল্লা। ব্যক্তি জীবনে অত্যন্ত সাধারণ জীবন যাপনে অভ্যস্ত নূর মোহাম্মদ মোল্লার ৪ ছেলে। তারা সবাই আওয়ামীলীগ ছোটবেলা থেকেই আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত এবং সবাই নিজ নিজ ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত। একটি সুন্দর আধুনিক উন্নত সমৃদ্ধশালী বাঞ্ছারামপুর গড়তে ক্যাপ্টেন এ বি তাজুল ইসলাম যে স্বপ্ন দেখেছেন, তা বাস্তবায়ন করার জন্য তার একনিষ্ঠ কর্মী হয়ে কাজ করে যাচ্ছেন। পাশাপাশি ভবিষৎ প্রজন্মের জন্য একটি সুখি সুন্দর ও শান্তিপ্রিয় মানিকপুর ইউনিয়ন গড়তে এবং আওয়ামী লীগের আরও শক্তিশালী ঘাঁটিতে পরিণত করতেই রাতদিন কাজ করে যাচ্ছেন নূর মোহাম্মাদ মোল্লা।সূত্র: বাঞ্ছারামপুর বার্তা

শেয়ার করুন:

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on pinterest
Share on whatsapp
Share on email
Share on print

আরও পড়ুন:

বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
১৭৮,৪৪৩
সুস্থ
৮৬,৪০৬
মৃত্যু
২,২৭৫

বিশ্বে

আক্রান্ত
১৮,৪৬৩,২১৫
সুস্থ
১১,৬৯১,৪৫৭
মৃত্যু
৬৯৭,৭৩০

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০