বুধবার, ২৮শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
১২ই আগস্ট, ২০২০ ইং
২১শে জিলহজ্জ, ১৪৪১ হিজরী
ads

প্রাথমিক শিক্ষকদের বিক্ষোভ সমাবেশ

বেতন বাড়িয়ে বৈষম্য নিরসন দাবিতে আন্দোলনরত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা দাবি পূরণের জন্য সরকারকে সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন। আগামী ১৩ নভেম্বরের মধ্যে বেতন বৈষম্যের নিরসনসহ দাবি পূরণ না হলে এবং এই বিষয়টি নিয়ে কথা বলার জন্য প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের ব্যবস্থা না করা হলে আসন্ন প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা বর্জন করা হবে বলে হুমকি দিয়েছেন শিক্ষকেরা।

বুধবার শিক্ষকদের সমাবেশ থেকে এই ঘোষণা দেয়া হয়।

আগামী ১৭ নভেম্বর থেকে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা হওয়ার কথা। শিক্ষক নেতারা বলছেন, সরকার দাবি পূরণ না করলে তারা প্রাথমিকের বার্ষিক পরীক্ষাও বর্জন করবেন। এরপরও দাবি পূরণ না হলে তারা বিদ্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দেবেন।

পূর্বঘোষণা অনুযায়ী বুধবার বেলা ১১টায় দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা কয়েক হাজার শিক্ষক শহীদ মিনার এলাকায় জড়ো হন।

কিন্তু পুলিশ আগে থেকেই কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ ঘিরে রাখায় বাধা পেয়ে শিক্ষকরা সড়কে অবস্থান নেন।

বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পুলিশ তাদের লাঠিপেটা করে সরিয়ে দেয়; কিছুক্ষণ পর আবার শিক্ষকরা শহীদ মিনারে ঢোকার চেষ্টা করলেও সফল হননি।

পরে তারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার দোয়েল চত্বরে অবস্থান নেন। সেখান থেকে দাবি পূরণ করার জন্য আগামী ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত সময় বেঁধে দেন তারা।

আন্দোলনকারী শিক্ষকদের প্লাটফর্ম বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক ঐক্য পরিষদের সদস্যসচিব মোহাম্মদ শামসুদ্দিন গণমাধ্যমকে জানান, দোয়েল চত্বরে তাদের সংগঠনের আহ্বায়ক আনিসুর রহমান এই কর্মসূচি ঘোষণা করে আজকের কর্মসূচি শেষ করেন। তবে এই ঘোষণার পরেও অনেক শিক্ষক ওই এলাকায় এখনো বিক্ষিপ্তভাবে রয়ে গেছেন।

শামসুদ্দিন মাসুদ বলেন, আগামী ১৩ নভেম্বরের মধ্যে প্রধান শিক্ষকের দশম গ্রেড ও সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেড বাস্তবায়ন না হলে, আগামী ১৭ নভেম্বর থেকে শুরু হতে যাওয়া সমাপনী পরীক্ষা বর্জন করবেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা।

তিনি বলেন, এ সময়ের মধ্যে যদি আমাদের দাবি পূরণ না হয় তবে বার্ষিক পরীক্ষা বর্জন ও সব প্রাথমিক বিদ্যালযয়ে তালা দেয়া হবে।

উল্লেখ্য, বর্তমানে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকেরা ১৪তম গ্রেডে ও প্রশিক্ষণবিহীন শিক্ষকেরা ১৫তম গ্রেডে বেতন পান। আর প্রশিক্ষণ পাওয়া প্রধান শিক্ষকেরা ১১তম গ্রেডে এবং প্রশিক্ষণবিহীন প্রধান শিক্ষকেরা ১২তম গ্রেডে বেতন পান।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষকদের সংগঠনগুলোর প্লাটফর্ম প্রাইমারি শিক্ষক পরিষদের আহ্বায়ক আনিসুর রহমান বলেন, সরকারি প্রাইমারি স্কুলের প্রধান শিক্ষকের জন্য দশম গ্রেড এবং সহকারী শিক্ষকদের জন্য ১১তম গ্রেডের ঘোষণা ২০১৭ সালে দেয়া হয়েছিল। এখনও পর্যন্ত সেই ঘোষণা বাস্তবায়ন করা হয়নি। এ কারণে তারা অধিকার আদায়ে আন্দোলনে নেমেছেন।

শেয়ার করুন:

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on pinterest
Share on whatsapp
Share on email
Share on print

আরও পড়ুন:

বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
১৭৮,৪৪৩
সুস্থ
৮৬,৪০৬
মৃত্যু
২,২৭৫

বিশ্বে

আক্রান্ত
২০,৫৪২,৬৬৬
সুস্থ
১৩,৪৬০,৬৩৫
মৃত্যু
৭৪৬,৩৩৫

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০৩১